হাড় হিম করে দেওয়া ৫টি ২লাইনের গল্প। নিজের রিস্কে পড়ুন...

এখানে রইল নেট-ভুবন ঘেঁটে খুঁজে পাওয়া ৫টি ভয়ের গল্প। এদের পরিসর মাত্র দু’-তিন লাইন। কিন্তু পড়ার পরে ভয়ের রেশ কতক্ষণ থাকবে, সেটা নির্ভর করছে পাঠকের নার্ভের উপরে।

creepy
Vকথা কম। কিন্তু, সাবধানে...
বর্ষার মোক্ষম অনুপান হল ভয়ের গল্প। ঝুপঝুপে বৃষ্টিতে মুড়ি, তেলেভাজা, হ্যরিকেনের আলো আর ভয়— এই ক’টি থাকলে পরিস্থিতি জমে যায়। কিন্তু সোশ্যাল নেটওয়ার্ক আর তীব্র-তীক্ষ্ণ যোগাযোগের কালে সেরকমটা হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। তা হলে? বিষস্য বিষৌষধি। ইন্টারনেট থেকেই সংগ্রহ করতে হয় রসদ। এখানে রইল নেট-ভুবন ঘেঁটে খুঁজে পাওয়া ৫টি ভয়ের গল্প। এদের পরিসর মাত্র দু’-তিন লাইন। কিন্তু পড়ার পরে ভয়ের রেশ কতক্ষণ থাকবে, সেটা নির্ভর করছে পাঠকের নার্ভের উপরে।
প্রথম গল্প
বিয়ের পর থেকে আমার স্বামী আমাকে বার বার বলতেন, সারা জীবনে তোমার কাছ-ছাড়া হব না। এমনকী মৃত্যুতেও নয়। তাঁকে খুন করেছি আমিই। তার পর থেকে তিনি সমানে ওই কথা মনে করিয়ে দিচ্ছেন...
দ্বিতীয় গল্প
নতুন জামাকাপড়টা মোটেই পছন্দ হচ্ছে না। কেমন কুটকুট করছে সব সময়ে। একটু আরামপ্রদ অবস্থায় কি কবর দেওয়া যেত না আমাকে?
তৃতীয় গল্প
‘বুবু, বুবু, বুবু’। তিনবার ডাক শুনে ‘যাই মা’ বলে মেয়েটা পা বাড়াল সিঁড়ির দিকে। নামতে নামতে হঠাৎ মা ওকে ধরে ঘরে ঢুকিয়ে বললেন— ‘যাসনি। ওই ডাকটা আমিও শুনেছি।’
চতুর্থ গল্প
রাতে ঘুম ভেঙে গেল। অন্ধকারে মনে হল, কে যেন আমার পায়ে সুড়সুড়ি দিচ্ছে। কে দিতে পারে বলো তো? আমি তো একাই থাকি। আর, ও হ্যাঁ, জন্ম থেকেই আমার পা দু’টো নেই।
পঞ্চম গল্প
লোকে বলে, আমার চোখ দু’টো নাকি আমার দিদিমার মতো। আমি ঘাড় নেড়ে হাসি। ওরা কী বোকা! ওরা জানেই না চোখদুটোকে তো আমি দিদিমার গয়নার বাক্সে রেখে দিয়েছি। হিঃ হিঃ!


Comments